"গম-এ-ইশক তো অপনা রফিক রহা
কোই ঔর বলা সে রহা না রহা..."
সুবহ হয়ে এল। আমাকে লিখতে দাও এবার। এই খাগের কলম, অস্থিমজ্জা গলিয়ে লিখেছি যে নজম, তাকে ভুলো না প্রিয় শহর। কামানের গোলায় ধ্বংস যে ঈদগাহ, দু'দণ্ড সেখানে বিছাই জায়নামাজ। ঈশা ভর করে ওষ্ঠে আমার। আয়াত নয়, নজম মিশেছে ইবাদতে৷ আমায় লিখতে দাও, পর্বরদিগার!
"দিয়া অপনি খুদ-হি কো জো হমনে উঠা
উহ জো পর্দা সা বিচ মে থা, না রহা..."
আমার সফরনামা 'গরীব-নওয়াজ' জানেন। যা কিছু অন্তরাল, যুমনার মিঠি হাওয়ায় ভেসে যাক। এখনও বাতাসে বারুদের ম্যহেক, ছিন্নভিন্ন খিলান। স্তব্ধতার ভাষা আমি লিখেছি 'দিবান' জুড়ে। শেষবারের মতো আমার জানাজায় হতে দিও সামিল। শেষবার, খুদা ই রহমত, আমায় লিখতে দাও!
"পড়ি অপনি বুরাইয়ো পর জো নজর
তো নিগাহ মে কোই বুরা না রহা..."
ভিরানায় একলা দাঁড়িয়ে তুমি কে? কে তুমি বলো হে ছায়াময়, পয়গম্বর আমার? নিঃস্ব, কপর্দকশূণ্য এই তাজ-ও-তখৎ আমি কাকে দিয়ে যাব? কেউ নেই, শুধু এক বিষাদবৃক্ষ ছাড়া। আমার সলতনৎ তোমার র্যহম-ও-করমে ভেসে উঠুক। ভেসে যাক এই গজল, গ্রহে গ্রহান্তরে। এর বেশি কিছু চাওয়ার নেই এতিমের।
ঘুমিয়ে পড়ার আগে, আউলিয়া, শেষবার আমায় লিখতে দাও...
No comments:
Post a Comment